হাউজ ভিসা FAQ — সৌদি ডোমেস্টিক ভিসা বাংলাদেশ
হাউজ ভিসা কী, কোম্পানি ভিসার পার্থক্য, Musaned, চাকরি বদল, সুবিধা-অসুবিধা ও ঝুঁকি — সম্পূর্ণ গাইড।
এই বিষয়ে 10টি প্রশ্ন
যেসব ভিসা— কোন কম্পানি ছাড়া সরাসরি ব্য়াক্তি মালিকের নামে হয় সেগুলাকে হাউজ ভিসা বলে । যেমন আমেল মঞ্জিল, খাদ্দামা, হাউজ ড্রাইভার, হারেস, তাব্বাখ মঞ্জিল ইত্যাদি। **Musaned** প্ল্যাটফর্ম দিয়ে প্রসেস করতে হয়। এর জন্য় দরকার হয় মোসানেদ কোটার । যেটা সবার থাকেনা ।
| হাউজ | কোম্পানি | |------|----------| | ব্যক্তিগত স্পনসর (কফিল) | কোম্পানি স্পনসর | | Musaned | Qiwa/MOFA | | বাড়িতে কাজ | প্রতিষ্ঠানে কাজ | | চাকরি বদল কঠিন | Qiwa দিয়ে সহজতর |
**সৌদি নাগরিক/রেসিডেন্ট স্পনসর (কফিল)**—কোম্পানির অধীনে নয়।
**খুব কঠিন।** নতুন কফিলের মোসানেদ চুক্তি লাগে। নাজাত (transfer) নীতি সীমিত।
হাউজ ভিসার প্রসেসিং খরচ বাংলাদেশে বেশি হলেও সৌদিতে গেলে সেখানে আকামার খরচ কম হয় ।
কফিলের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভর, ছুটি/বেতন নিয়ে সমস্যা, চাকরি বদল কঠিন, ফ্যামিলি ভিজিট সীমিত।
বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা, ইথিওপিয়া, উগান্ডা, কেনিয়া।
কফিল নির্যাতন, অতিরিক্ত কাজ, পাসপোর্ট আটকানো, বেতন না দেওয়া—**লাইসেন্সপ্রাপ্ত এজেন্সি** ব্যবহার করুন।
**স্পনসর/এজেন্সি** মক্তব আমল ও জাওয়াজাতের মাধ্যমে ইকামা (আকামা) ইস্যু করে।
চুক্তি অনুযায়ী—সাধারণত বছরে **১৫–৩০ দিন**। কফিলের অনুমতি লাগে। সৌদি শ্রম নিয়ম প্রযোজ্য।