কন্টেন্টে যান

মোসানেদ ভিসা FAQ বাংলাদেশ — Musaned প্রসেসিং গাইড

মোসানেদ কী, কারা ব্যবহার করে, চুক্তি, কোটা, ডিলিট, ফি ও সমস্যা — বাংলাদেশ থেকে সৌদি হাউজ ভিসার সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর।

এই বিষয়ে 14টি প্রশ্ন

মোসানেদ হচ্ছে সৌদি আরবের একটি রিক্রুটিং সিস্টেম। যার মাধ্যমে শুধু ডোমেস্টিক ওয়ার্কার বা হাউস ওয়ার্কারগুলো রিক্রুটিং করা হয়। হাউজ ভিসা বলতে বোঝায় আমেল মঞ্জিল, সওয়াক খাস, হারেস মঞ্জিল, তাব্বাখ মঞ্জিল, খাদ্দামা ভিসা গুলা।

মোসানেদ সিস্টেম ব্যবহার করে মূলত সৌদি নাগরিক বা কফিল, সৌদি অফিস, এবং বাংলাদেশ অফিস। এখানে সাধারণ যাত্রীদের কোন মুসানেদ একাউন্ট থাকে না।

মোসানেদ থেকে সব হাউজ ভিসা গুলো প্রসেস হয় যেমন আমেল মঞ্জিল, সওয়াক খাস, হারেস মঞ্জিল, তাব্বাখ মঞ্জিল, খাদ্দামা ভিসা গুলা।

মুসানাদের ধাপ হচ্ছে প্রথমে বাংলাদেশ অফিস কর্মীর পাসপোর্ট ডিটেলস মোসানেদ সিস্টেমে এন্ট্রি করে। তারপর কফিল বা নিয়োগকর্তা তার ভিসা মোসানেদ সিস্টেম করে। কফিল নিয়োগকর্তা সৌদি অফিসে যোগাযোগ করলে কফিল বা নিয়োগকর্তার সাথে সৌদি অফিসের চুক্তি হয়, যে সৌদি অফিসের সাথে চুক্তি হয়েছে তার সাথে বাংলাদেশ অফিসের চুক্তি থাকে এবং কফিলের সাথে হওয়ার চুক্তির উপরে ভিত্তি করে সৌদি অফিস বাংলাদেশ অফিসে কর্মীর জন্য ভিসার চুক্তি করতে পারে। কর্মীর ভিসা চুক্তি হওয়ার পরে এই চুক্তি সত্যায়নের জন্য বাংলাদেশের লেবার মন্ত্রণালয়-তে যায়। লেবার মন্ত্রণালয় এপ্রুভ করার পরে সৌদি অফিস কর্মীর জন্য ওই ভিসাতে ওকালা করতে পারে।

মোসানেদ ফি কর্মীকে বহন করতে হয় না। এটা বাংলাদেশ অফিস কর্মীর সাথে ভিসা প্রসেসিং এর চুক্তি অনুযায়ী হিসাব করে নিয়ে থাকে। এটার জন্য আলাদা কোন ফি নির্ধারিত নয়।

মোসানেদ সিস্টেম ওই সব দেশে চালু আছে যেখান থেকে সৌদি আরব ডোমেস্টিক ওয়ার্কার বা হাউস ভিসার কর্মী নিয়োগ করে থাকে। বিশেষ করে বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া, ফিলিপাইন, উগান্ডা, ইথিওপিয়া সহ আরো অনেক দেশ থেকে।

সবচেয়ে বেশি সমস্যা যেটা হয় সেটা হচ্ছে কফিল মোসানেদ সিস্টেম জানেন না, যদি বয়স্ক হয় তখন সে অনলাইনে সিস্টেম টা ভালো বুঝেন না, তখন সমস্যা হয়।

মোসানেদ কত দিনের ভিতরে কমপ্লিট হবে এটা নির্ভর করে মূলত সৌদি অফিস এবং নিয়োগকর্তার উপর। সৌদির অফিসের সাথে নিয়োগকর্তার কনট্রাক্ট কমপ্লিট হলে যতই দ্রুত মোসানেদ কমপ্লিট হয়। এটা কমপ্লিট হওয়ার নির্দিষ্ট কোন সময় নির্ধারিত নেই।

যখন মোসানেদ কন্ট্রাক্ট তৈরি হয় তখন একটি কন্ট্রাক্ট নাম্বার তৈরি হয়। এই নাম্বার দিয়ে বাংলাদেশের কন্ট্রাক্ট চেক করতে পারে এবং সৌদি অফিস কন্ট্রাক্ট নাম্বার দিয়ে ওকালা করতে পারে।

যখন কোন অফিস একটি পাসপোর্ট মোসানেদ সিস্টেমে এন্ট্রি করে তখন এই পাসপোর্ট নাম্বার টা মোসানেদ সার্ভারের ডাটাবেজে সেভ করা থাকে। একই পাসপোর্ট যখন পুনরায় অন্য কোন অফিস এন্ট্রি করতে চেষ্টা করে তখন অলরেডি এক্সিস্ট দেখায়। প্রথমে যে অফিসে এন্ট্রি করেছিল তারা যদি তাদের সিস্টেমে ওই পাসপোর্ট এর এন্ট্রি ডিলিট না করে তাহলে অন্য কোন অফিস এন্ট্রি করতে পারবে না। সুতরাং নতুন অফিসে মোসানেদ এন্ট্রি করা না গেলে তখন মোসানেদ ডিলিট করতে হয়।

একই পাসপোর্ট এক অফিসে এন্ট্রি করার পরে অন্য অফিস থেকে নতুন এন্ট্রি করতে হলে মোসানেদ ডিলিট করতে হয়।

মোসানেদ ডিলিট হতে কোন সময় লাগে না, এটা কয়েক ক্লিকের ব্যাপার মাত্র যদি যে অফিস এন্ট্রি করেছিল তারা চায়।

মোসানেদ ডিলিট করতে যে অফিসে এন্ট্রি করেছিল তাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। তারা যদি ডিলিট করতে না পারে তাহলে মোসানেদ সাপোর্ট টিমের সাথে ইমেইলে যোগাযোগ করতে হবে।

সবচেয়ে বড় ভুল হচ্ছে কোন অফিসের সাথে কথা ফাইনাল না করে পাসপোর্ট এর কপি বা পাসপোর্ট জমা দেওয়া। অথবা অদক্ষ কোন লোকের সাথে ভিসার প্রসেসিং বিষয়ে কন্টাক্ট করা। সব সময় দক্ষ লোকের সাথে কাজ করতে হবে। bd2saudi.com বিগত 10 বছর যাবত ভিসা প্রসেসিংয়ে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে।

এখনও সৌদি ভিসা নিয়ে সাহায্য লাগবে?

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন আছে?

WhatsApp +8801812155800